চিটাগং শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ২০১৮: শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র ‘বাঁকা হাওয়া’

শেষ হলো চিটাগং শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের চট্টগ্রাম পর্বের আয়োজন। গতকাল উৎসবের শেষ দিনে ছিল চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও পুরষ্কার বিতরণ। চিটাগং শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্বাচিত হয়েছে এনামুল হক খান পরিচালিত এবং ফুয়াদ নাসের প্রযোজিত শর্টফিল্ম ‘বাঁকা হাওয়া’। শ্রেষ্ঠ বিদেশী ভাষার চলচ্চিত্র হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে ফ্যাব্রিস বারাখ পরিচালিত এবং ফেব্রিস প্রিয়েল ক্লিস প্রযোজিত ‘এ হোল ওয়ার্ল্ড ফর এ লিটল ওয়ার্ল্ড’। এছাড়াও নাহিদা পারভিন (কন্টেমপ্লেশন) শ্রেষ্ঠ পরিচালক, ফাহিম আরিয়ান (কাম ফ্রম বিদেশ) শ্রেষ্ঠ অভিনেতা এবং উনি প্রু মারমা (লেটার টু গড) শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরষ্কার পান।

1. Vegabond Wind

চট্টগ্রামের তরুণ নির্মাতাদের উদ্বুদ্ধ করতে ২০১৫ সালের ২৫ মে দৈনিক আজাদীর সার্বিক সহযোগিতায় ও নকশা’র উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত তরুণ চলচ্চিত্রকারদের সংগঠন ‘চিটাগং শর্ট’ তৃতীয়বারের মত আয়োজন করছে এ চলচ্চিত্র উৎসবের। উৎসবের দুই দিন ব্যাপী চট্টগ্রাম পর্বের শেষ দিনে নগরীর থিয়েটার ইন্সটিটিউটে শুরুতেই ছিল প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাণ প্রশিক্ষক হায়দার রিজভীর মাস্টারক্লাসের দ্বিতীয় অংশ। মাস্টারক্লাসের পরপরই শুরু হয় চলচ্চিত্র প্রদর্শনী। ১:৩০টা এবং ৪:৩০টা থেকে শুরু হওয়া দু’টি শোতে হলভর্তি মানুষ উপভোগ করেন চিটাগং শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের নির্বাচিত ২০ টি চলচ্চিত্র।

WhatsApp Image 2018-01-07 at 10.12.25 PM

প্রদর্শনীর পর পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এম এ মালেক। “জাতীয় জীবনের সমস্যা কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরার জন্যে বর্তমানে চলচ্চিত্রের চেয়ে বড় মাধ্যম আর কিছু হতে পারে না। চলচ্চিত্রকারদের উচিত, এমন চলচ্চিত্র নির্মান করা যার মাধ্যমে সমস্যাগুলো সমাধান করার রাস্তা তৈরি হয়” প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমনটাই বলেন জনাব এম এ মালেক। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন চিটাগং শর্ট এর জুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান জ্যাঁ নেসার ওসমান, চট্টগ্রাম টেলিভিশনের শক্তিশালী কর্মকর্তা বেলাল বেগ, মাস্টারক্লাসের পরিচালক জনাব হায়দার রিজভী, চিত্রনাট্যকার শাহজাহান শামীম, চিত্রগ্রাহক আহমেদ হিমু, চলচ্চিত্রকার হাসান আল বান্না, বারকোড রেস্টুরেন্ট গ্রুপের সত্ত্বাধিকারী মঞ্জুরুল হক।

উল্লেখ্য, প্রতিবারের মতো এবারও উৎসবের পৃষ্ঠপোষকতায় আছে দৈনিক আজাদী, ম্যাগাজিন আই, বারকোড রেস্টুরেস্ট গ্রুপ এবং আমরা চট্টগ্রাম।