“সমাজ সংস্কারে অনেক বড় ভূমিকা রাখতে পারে এই চলচ্চিত্র”- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

“চলচ্চিত্র মানুষের জীবনের প্রতিচ্ছবি। সমাজে অনেক বার্তা পৌঁছানো যায়। অনেক কথা বলা যায়। সমাজ সংস্কারে অনেক বড় ভূমিকা রাখতে পারে এই চলচ্চিত্র।”– চলচ্চিত্রকে ঠিক এমন করেই সংজ্ঞায়িত করেছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের অন্যান্য আরো সেক্টরের পাশাপাশি চলচ্চিত্র শিল্পেও আরো উন্নতি করবে বলে বিশ্বাস করেন তিনি এবং তার জন্য যা করার দরকার সবই করবেন বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন। গত রোববার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৬ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ কথা উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৬’-এ পুরস্কার বিজয়ীদের নামের তালিকা প্রকাশ হয়ে গিয়েছিল চলতি বছরের এপ্রিল মাসেই। বাকি ছিল পুরস্কার প্রদানের আনুষ্ঠানিকতা। যৌথভাবে তথ্য মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশে চলচ্চিত্র উন্নয়ন সংস্থা (বিএফডিসি)’র আয়োজনে এবং তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম এবং তথ্য মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সভাপতি এ কে এম রহমতউল্লাহ।

২০১৬ সালের জন্য যৌথভাবে আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তী নায়ক আকবর হোসেন পাঠান ফারুক এবং নায়িকা ফরিদা আক্তার ববিতা। উল্লেখ্য, এবছর ২৬ টি বিভাগে ২৯ জন শিল্পী ও কলাকুশলীকে পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।

1530956027_0পুরষ্কার পেলেন যারা:

আজীবন সম্মাননা: (ববিতা ও ফারুক)

শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র: অজ্ঞাতনামা

শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র: ঘ্রাণ

শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চলচ্চিত্র: জন্মসাথী

শ্রেষ্ঠ পরিচালক: অমিতাভ রেজা চৌধুরী (আয়নাবাজি)

শ্রেষ্ঠ অভিনেতা প্রধান চরিত্র: চঞ্চল চৌধুরী (আয়নাবাজি)

শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী প্রধান চরিত্র: যৌথভাবে তিশা (অস্তিত্ব) ও কুসুম শিকদার (শঙ্খচিল)

শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পার্শ্ব চরিত্র: আলী রাজ (পুড়ে যায় মন) ও ফজলুর রহমান বাবু (মেয়েটি এখন কোথায় যাবে)

শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পার্শ্ব চরিত্র: তানিয়া আহমেদ (কৃষ্ণপক্ষ)

শ্রেষ্ঠ খল অভিনেতা: শহীদুজ্জামান সেলিম (অজ্ঞাতনামা)

শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী: আনুম রহমান খান সাঁঝবাতি (শঙ্খচিল)

শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক: ইমন সাহা (মেয়েটি এখন কোথায় যাবে)

শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক: রাশেদ জামান (আয়নাবাজি)

শ্রেষ্ঠ শব্দগ্রাহক: রিপন নাথ (আয়নাবাজি)

শ্রেষ্ঠ নৃত্য পরিচালক: মো. হাবিব (নিয়তি)

শ্রেষ্ঠ গায়ক: ওয়াকিল আহমেদ (দর্পণ-বিসর্জন, গান: অমৃত মেঘের বারি)

শ্রেষ্ঠ গায়িকা: মেহের আফরোজ শাওন (কৃষ্ণপক্ষ, গান: যদি মন কাঁদে)

শ্রেষ্ঠ গীতিকার: গাজী মাজহারুল আনোয়ার (মেয়েটি এখন কোথায় যাবে, গান: বিধিরে ও বিধি)

শ্রেষ্ঠ সুরকার: ইমন সাহা (মেয়েটি এখন কোথায় যাবে, গান: বিধিরে ও বিধি)

শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার: তৌকির আহমেদ (অজ্ঞাতনামা)

শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা: রুবাইয়াত হোসেন (আন্ডার কনস্ট্রাকশন)

শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার: অনম বিশ্বাসগাউসুল আলম (আয়নাবাজি)

শ্রেষ্ঠ সম্পাদক: ইকবাল আহসানুল কবির (আয়নাবাজি)

শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশক: উত্তম গুহ (শঙ্খচিল)

শ্রেষ্ঠ পোষাক ও সাজসজ্জা: সাত্তার (নিয়তি), ফারজানা সান (আয়নাবাজি)

এছাড়াও প্রামাণ্যচিত্রের জন্যে পুরষ্কার পেয়েছে মুক্তিযুদ্ধ জাদুকর এবং একাত্তর মিডিয়া লিমিটেড।

ছবি সংগ্রহ: bdnews24.com

মন্তব্য করুন

Please log in using one of these methods to post your comment:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

w

Connecting to %s