১৭ ও ১৮ জানুয়ারি ৫ম চিটাগং শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ২০২০

আগামী ১৭ ও ১৮ জানুয়ারি ২০২০ শুক্র ও শনিবার পর্দা উঠছে চিটাগং শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সংবাদপত্র দৈনিক আজাদী’র সহযোগিতায় বিজ্ঞাপনী প্রতিষ্ঠান ‘নকশা’র সামাজিক দায়বদ্ধতা প্রকল্প চিটাগং শর্ট-এর এটি ৫ম আয়োজন।

দেশের স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রকারদের অন্যতম বড় এ মিলনমেলায় দেশের বিখ্যাত চলচ্চিত্রকার এবং চলচ্চিত্রবোদ্ধারা ছাড়াও উপস্থিত থাকবেন নির্বাচিত বিদেশী চলচ্চিত্রের পরিচালকেরাও। অনুষ্ঠানমালায় রয়েছে ১৭ জানুয়ারি ২০২০ শুক্রবার আজাদী মিলনায়তনে উৎসবে নির্বাচিত নির্মাতাদের সম্মানে ও বাছাইকৃত তরুণ নির্মাতাদের অংশগ্রহণে মাস্টার ক্লাস, নগরভ্রমণ ও নৈশভোজ এবং ১৮ জানুয়ারি শনিবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন, বাছাইকৃত চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণ।

বাছাইকৃত চলচ্চিত্র হিসেবে  নির্বাচিত হয়েছে, শাওলিন শাওনের ‘পাপ’ (বাংলাদেশ), পাভেল পালের ‘চাঁদের বুড়ি’ (ভারত), নাফিসা হোসাইনের ‘এ নাইট’স টেল’ (বাংলাদেশ), শাহাদাত সেতুর ‘ইউ’ (বাংলাদেশ), আহমেদ হিমুর ‘নামগিজা জুমাং’ (বাংলাদেশ), হোসাইন রাবেঈ এর ‘ডেডওয়াটার’ (ইরান), আদিত্য অগ্নিহোত্রির ‘ডেমোক্রেসি’ (ভারত), সৌমিত্র সিং এর ‘দ্য ওয়ালেট’ (ভারত), শ্রীরাজ রাজিবের ‘সেকেন্ড প্রাইজ’ (ভারত), প্রিয়ামা গোস্বামীর ‘ডেথ অফ এন অডিয়েন্স’ (ভারত), গনজালো গুয়াজারডোর ‘পেপার বোটস’ (ইথিওপিয়া), ত্রিশা নন্দীর ‘ভাসান’ (ভারত), হাসনাত সোহানের ‘সাম এনশায়ান্ট ট্রিস’ (বাংলাদেশ), জাহিদ গগনের ‘প্রেম পুরাণ’ (বাংলাদেশ), মাশরুর পারভেজের ‘দ্য ডগ’স ইল্যুশন’ (বাংলাদেশ), আসিফ জামিলের ‘এনিম্যালস’ (বাংলাদেশ), আবদুল্লাহ শাহিনের ‘ক্লীটস’ (তুর্কী), জিশনু ক্রিশনান এর ‘ডিলাপিডেটেড ওয়েল’ (ভারত), এমিলিয়া রুইজের ‘টু ফিল ইউর ব্রোকেন আর্মস’ (স্পেইন), এন্ড্রু স্কটের ‘হর্ণস অব কলকাতা’ (নিউজিল্যান্ড), সালমান আলমের ‘নিটেড বিলিফস’ (পাকিস্তান)।

চলতি বছরের ১লা জুন থেকে শুরু হয় চট্টগ্রামের আলোচিত চলচ্চিত্র উৎসব চিটাগং শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের ফিল্ম জমাদান পর্ব। ১৭টি দেশ থেকে জমাকৃত চলচ্চিত্রের সংখ্যা প্রায় শতাধিক। ৮ দেশের ২১ চলচ্চিত্র নিয়ে ৫ম চিটাগং শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের অফিসিয়াল সিলেকশন তালিকা প্রকাশ করা হয় বিগত ৩১ অক্টোবর ২০১৯। ছবি নির্বাচন বিষয়ে উৎসব পরিচালক শারাফাত আলী শওকত বলেন, ফেস্টিভ্যালের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত নন এমন একদল চলচ্চিত্র বিশারদ এই ফেস্টিভ্যালের জুরি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁরা চলচ্চিত্রের গল্প, নির্মাণ কৌশল, অভিনয়, কারিগরি দক্ষতা ও সৃষ্টিশীলতা বিচারে শত শত চলচ্চিত্র থেকে এই চলচ্চিত্রগুলো নির্বাচন করেছেন। আশাকরি পঞ্চমবারের মত চট্টগ্রামের চলচ্চিত্রপ্রেমীরা আবারো একই হল-এ বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন স্বাদের চলচ্চিত্র উপভোগ করতে পারবেন চিটাগং শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের মাধ্যমে।

উল্লেখ্য, ৪র্থ চিটাগং শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ২০১৯ হতে এডুকেশন পার্টনার হিসেবে দ্য সানশাইন এডুকেশন গ্রুপ, অর্গানাইজিং পার্টনার হিসেবে সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট লিমিটেডসিপিডিএল, হসপিটালিটি পার্টনার হিসেবে বারকোডআমরা চট্টগ্রাম এবং মিডিয়া পার্টনার হিসেবে সিনে ম্যাগাজিন আই একযোগে কাজ করে যাচ্ছে।

আয়োজক কমিটির প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে দৈনিক আজাদী’র পরিচালনা সম্পাদক ওয়াহিদ মালেক, সভাপতি হিসেবে নকশা’র কর্ণধার লায়ন ইসমাইল চৌধুরী, উৎসব পরিচালক হিসেবে প্রখ্যাত চিত্রগ্রাহক ও সংগঠক শারাফাত আলী শওকত, অনুষ্ঠান পরিচালক হিসেবে চিলড্রেন্স আই ফেয়ার ফিল্ম সোসাইটির সচিব অচ্যুত কুমার মিত্রসহ প্রতিভাবান একঝাঁক তরুণ নির্মাতাগণ নিরলসভাবে কাজ করছেন।

উল্লেখ করা যেতে পারে, প্রখ্যাত বিজ্ঞাপন নির্মাতা, চলচ্চিত্র পরিচালক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব জ্যঁ-নেসার ওসমান সভাপতিত্বে এ উৎসবের জুরিবোর্ড-এ আছেন প্রবীন চলচ্চিত্র শিক্ষাবিদ ও নির্মাতা হায়দার রিজভী, পরিচালক ও সংগঠক শাহজাহান শামীম এবং আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত নির্মাতা-গবেষক সোহেল রহমান